Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

নাবালিকা বিয়ে রুখতে নিমন্ত্রণ রক্ষাকারীদের নামেও FIR, হইচই কেষ্ট’র জেলায়

বীরভূমের পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নাবালিকা বিয়ে ঠেকাতে পাত্রপাত্রীর বাবা, মা, পুরোহিতের পাশাপাশি নিমন্ত্রণ রক্ষাকারীদের নামেও FIR করা হবে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) বাংলার মেয়েদের স্কুলড্রপ(School Dropout of Girls) ঠেকাতে ও নাবালিকা বিয়ে(Underage Marriage) রুখতে চালু করেছেন ‘কন্যাশ্রী’(Kanyasree)  ও ‘রূপশ্রী’র(Rupasree) মতো প্রকল্প। সেই দুই প্রকল্পই যথেষ্ট সফলতার মুখও দেখেছে। কিন্তু তারপরেও দেখা যাচ্ছে গ্রামবাংলার বুকে নাবালিকাদের বিয়ে কিছুতেই পুরোপুরি আটকানো যাচ্ছে না। এই অবস্থায় বীরভূমের জেলা পুলিশ প্রশাসন(Birbhum District Police) সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নাবালিকা বিয়ে ঠেকাতে পাত্রপাত্রীর বাবা, মা, পুরোহিতের পাশাপাশি নিমন্ত্রণ রক্ষাকারীদের নামেও FIR করা হবে। আর সেই সিদ্ধান্তের কথা জানাজানি হতেই জেলাজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। যদিও আইনজীবীদের অভিমত, পুলিশ প্রশাসন ভুল কিছু করছে না। কেননা ১৮ বছরের নীচে কোনও মেয়ের বিয়ে দেওয়াটাই বেআইনি। সেই বেআইনি কাজ যে বা যারা করবে কিংবা তাতে জড়িত থাকবে তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে যদি পুলিশ প্রশাসন FIR দায়ের করে তাহলে তা ভুল হবে না। বরঞ্চ সঠিক পদক্ষেপই হবে। এই কড়া দাওয়াই নাবালিকা বিয়ে রুখতে অন্যতম পথ হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন, আর জি করে গত ১২ দিনে বাতিল ১০০০’রও বেশি অপারেশন

নাবালিকা বিয়ে রোখা এখন অন্যতম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বীরভূমের পাশাপাশি রাজ্যের সব জেলা প্রশাসনেরই। এতদিন ধরে মেয়ের বাবা-মা আর ছেলের বাবা-মাকে বুঝিয়ে এই সব বিয়ে না দেওয়ার কথাই বলা হতো। তাঁদের কাছ থেকে লিখিত ভাবে মুচলেকাও নেওয়া হতো যাতে তাঁরা নাবালক বা নাবালিকা অবস্থায় ছেলেমেয়ের বিয়ে না দেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তাতে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে না। নিঃশব্দে সেই সব বিয়ে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে, অন্য কোথাও নিয়ে গিয়ে। বিষয়টি সামনে আসছে হয় বিয়ের পরে কিংবা মেয়েটি মা হওয়ার মুখে। কার্যত রাজ্য জুড়ে সব সরকারি হাসপাতালেই নাবালিকা মায়ের সংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলায় রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসন থেকেও জেলাগুলিকে চাপ দেওয়া হতে থাকে এই পরিস্থিতির বদলের জন্য। সেই সূত্রেই বীরভূম জেলা পুলিশ প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার থেকে শুধু মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে না। বরঞ্চ করা হবে FIR। পাত্র-পাত্রীদের বাবা, মায়ের বিরুদ্ধে সেই FIR দায়ের হবে সকলের আগে। তারপর সেই বিয়ে দিতে আসা পুরোহিত, এমনকী নিমন্ত্রিতদের নামেও FIR করা হবে।

আরও পড়ুন, আর জি করে CISF আধিকারিকেরা, সন্দীপের হাজিরা CGO-তে

বীরভূম জেলা পুলিশ প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই ধরনের FIR করার কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে। জেলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৪টি নাবালিকার বিয়ের খবর পেয়ে পুলিশ FIR দায়ের করেছে। প্রতিটি FIR’র ভিত্তিতে দুই পরিবারের বাবা-মা উভয়কেই গ্রেফতার করা হয়েছে। সদাইপুর, সাঁইথিয়া, মাড়গ্রাম ও নানুর এই চার থানা এলাকায় ওই গ্রেফতারির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা হচ্ছে প্রতি বছর বীরভূমে কমবেশি গড়পরতা ৩০ হাজার নাবালিকার বিয়ে হয়। বিশেষ করে রামপুরহাট মহকুমা এলাকায় এই সব ঘটনা বেশি করে হচ্ছে। সেই সব বিয়ে এতটাই গোপনে সেরে ফেলা হচ্ছে যে, তা গোচরে আসছে না। যখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, তখন বাচ্চা পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও নাবালিকা মেয়েদের পালিয়ে বিয়ে করার ঘটনাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এমনকি জেলা থেকে ভিন রাজ্যে পালিয়ে বিয়ে করার ঘটনাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এই সব কারণেই এবার জনসমাজে কড়া বার্তা দিতে পুলিশ কার্যত বাধ্য হয়েছে FIR দায়ের করার পথে হাঁটতে। সেই সব FIR-এ পাত্রপাত্রীর বাবা-মা, পুরোহিত বা কাজি, আমন্ত্রিত সদস্য, রাঁধুনি, সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ী সকলের বিরুদ্ধেই FIR দায়ের করা হচ্ছে।

আইপিএল ছেড়ে কেন পাকিস্তান সুপার লিগে? মুখ খুললেন ইংলিশ তারকা ক্রিকেটার

বিশ্বকাপ শুরুর মুখেই চাকরি হারালেন সৌদি আরবের কোচ রেনার্ড

ভোটারদের নিরাপত্তায় পোলিং বুথের চারপাশে ‘লক্ষ্মণ রেখা’ কাটবে কমিশন

বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দিল না ইরানের আইআরজিসি

‘দেশের বাইরে ইউরেনিয়াম স্থানান্তর করা হবে না’, ট্রাম্পের দাবি খারিজ ইরানের

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

0:00