Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

উচ্চমাধ্যমিকের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই স্নাতকে আসন কমুক, চাইছেন শিক্ষা প্রশাসকেরা

রাজ্যের শিক্ষা প্রশাসকরা চাইছেন, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ পড়ুয়া-সংখ্যার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্নাতকে নানা বিষয়ের আসন কমানো হোক।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে এই বছর স্নাতক স্তরে নানা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ লক্ষ আসনে ভর্তির(College Admission Application) জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন ৫ লক্ষ ২৭ হাজার পড়ুয়া। মেধাতালিকায় নাম ওঠে ৪ লক্ষ ২২ হাজারের। ভর্তির জন্য টাকা জমা দেন ৪ লক্ষ ৫ হাজার ছাত্রছাত্রী। বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, এদের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হাজির হয়ে নথি যাচাই করিয়েছেন ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার পড়ুয়া। এর মধ্যে শুক্রবার শুরু হয়েছে স্নাতকে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন। সেখানে লক্ষাধিক স্টুডেন্ট আবেদন জানাতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে শিক্ষা প্রশাসকদের(Education Administrators) ধারণা। কিন্তু তাতেও মোট আসনের অর্ধেক পূরণ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ী কলেজ অধ্যক্ষরাই। আর তাই রাজ্যের শিক্ষা প্রশাসকরা চাইছেন, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ পড়ুয়া-সংখ্যার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্নাতকে নানা বিষয়ের আসন কমানো হোক। না হলে National Assessment and Accreditation Council  বা NAAC এবং National Institutional Ranking Framework বা NIRF’র মাপকাঠিতে রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির গ্রেড তলানিতে ঠেকবে।

আরও পড়ুন, মমতা-মানসে আস্থা দুই মেদিনীপুরের, এবার চাই কেলেঘাইয়ের ওপর সেতু

আশঙ্কার কথা স্বীকার করে রাজ্য উচ্চশিক্ষা সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান আশুতোষ ঘোষ জানিয়েছেন, ‘গত চার-পাঁচ বছরে কতজন পড়ুয়া কোন বিষয়ে ভর্তি হচ্ছে, সেই চাহিদা খতিয়ে দেখে সিট র‍্যাশনালাইজ করা উচিত কলেজগুলির।’ জানা যাচ্ছে, রাজ্যে স্নাতকে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গত এক যুগে আসন প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণদের কথা ভেবে ২০১১ ও ২০১২ সালে ১০ শতাংশ করে আসন বাড়িয়েছিল রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতর(West Bengal Higher Education Department)। এরপর উচ্চশিক্ষায় অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির(ওবিসি) পড়ুয়াদের আসন সংরক্ষণের জন্য ২০১৩ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ধাপে ধাপে ৩১ শতাংশ আসন বাড়ানো হয়। জেনারেল ক্যাটেগরির পড়ুয়াদের জন্য সিট অটুট রেখেই বেড়েছিল ওবিসি-আসন। গত বছরই আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের সন্তানদের জন্য ১০% আসন সংরক্ষণ কার্যকর হয়েছে। ফলে স্নাতকে সব মিলিয়ে বেড়েছে ২২ শতাংশ আসন। যার ফলে বর্তমানে সিটের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ। আর এ বার উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছে ৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭৮৪ জন ছাত্রছাত্রী। অর্থাৎ প্রায় ৩ লক্ষ বাড়তি আসন থেকে যাচ্ছে রাজ্যের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে।

আরও পড়ুন, আর জি কর কাণ্ডের জেরে রবিবারেও কর্মবিরতি একাধিক সরকারি হাসপাতালে

ঠিক এই অবস্থায় রাজ্যের শিক্ষা প্রশাসকেরা চাইছেন, আসন কমুক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে আর তা কমানো হোল উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হার দেখে। যেমন হাওড়া বিজয়কৃষ্ণ গার্লস কলেজের অধ্যক্ষা রুমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ‘আমাদের কলেজের মোট আসন ও ভর্তি হওয়া পড়ুয়ার সংখ্যায় পার্থক্য থাকায় ২০২১ সালে NAAC পরিদর্শনে সবচেয়ে কম নম্বর পেয়েছিলাম। তারপরই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্জি জানাই, স্নাতকে যেন আসন কমানো হয়। কিন্তু গত বছর ফের ১০ শতাংশ সংরক্ষণের জেরে আসন আরও বেড়েছে।’ আবার লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের অধ্যক্ষা শিউলি সরকারের কথায়, ‘আমাদের মোট আসনের অর্ধেকও ভরেনি। অভিন্ন ভর্তির পোর্টালে ৪১৫ জন ভর্তি হয়েও ৩৩৮ জন নথি যাচাই করেছে। চাহিদা কম, এমন কিছু বিষয়ে আসন কমানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আবেদন করেছিলাম ২০১৯ সালে। কমেও গিয়েছিল। কিন্তু নতুন সংরক্ষণে আবার বেড়ে গিয়েছে।’ মালদা কলেজের অধ্যক্ষ মানসকুমার বৈদ্যর বক্তব্য, ‘আমাদের ২,৯০০ আসন। পিছিয়ে পড়া পরিবারের সন্তানদের জন্য ৩০০ সিট সংরক্ষিত। কিন্তু শংসাপত্র না-থাকায় একজনও ভর্তি হয়নি। কলেজের আসন ডায়নামিক করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কেও দায়িত্ব দিতে হবে, যাতে চাহিদা অনুযায়ী প্রতি বছর ভর্তির আগে কলেজের বিষয়ভিত্তিক আসনের সংখ্যা মডিফাই করা যায়।’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00