Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

১০০০ কোটিরও বেশি বকেয়া, ‘আগে টাকা, পরে বিদ্যুৎ’, সায় নবান্নের

রাজ্যের সরকারি দফতর ও কার্যালয়গুলিতে এবার থেকে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আর Post Paid System থাকবে না, চলে আসবে Pre Paid System।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিদ্যুতের বিল বকেয়া রাখার ক্ষেত্রে সাধারণের থেকে অনেক এগিয়ে সরকারি দফতর। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার(WBSEDCL) তথ্য বলছে নানা সরকারি দফতরের ১০০০ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিল বকেয়া রয়েছে। আর সেই বকেয়া আদায়ের ক্ষেত্রে এবার বড়সড় পরিবর্তনের পথে হাঁটা দিয়েছে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদ। তাতে সায় থাকছে নবান্নেরও(Nabanna)। মানে রাজ্য সরকারের(West Bengal State Government) সমর্থনেই রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন পর্ষদ এবার বকেয়া আদায়ে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে। কী সেই পদক্ষেপ? ‘আগে টাকা, পরে বিদ্যুৎ’ পদ্ধতি চাইছে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। অর্থাৎ রাজ্যের সরকারি দফতর ও কার্যালয়গুলিতে এবার থেকে আর Post Paid System থাকবে না, চলে আসবে Pre Paid System। এর ফলে আগে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পরে বিল মেটানোর সুযোগ থাকছে না। পরিবর্তে মোবাইল ফোনের মতো অফিসগুলিকে নিয়ম মেনে বিদ্যুতের মিটার Recharge করতে হবে। আগাম দিয়ে রাখতে হবে বিদ্যুৎ খরচের টাকা। জমা রাখা টাকা শেষ হয়ে গেলে আপনা থেকেই মিটারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে সম্প্রতি অর্থ দফতর সব সরকারি দফতরে Pre Paid Meter বসানোর নির্দেশ দিয়েছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, বিভিন্ন ছোট সরকারি অফিসে এ বার Pre Paid Meter লাগানোর কাজ শুরু হবে।

আরও পড়ুন, কলকাতা পুরনিগমকে ৪০ কোটি টাকার Incentive দিল মোদি সরকার

বিভিন্ন রাজ্যের বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির লোকসান কমাতে গোটা দেশেই Smart Meter এবং Pre Paid Connection চালুর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রক। মূল লক্ষ্য বিদ্যুতের অপব্যবহার বন্ধ করা এবং বিল না মেটানোর প্রবণতা রোধ করা। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে ২০২৩ সালের মধ্যেই প্রথম পর্যায়ের Smart Meter চালুর কাজ শেষ করার কথা ছিল। তাতে শুরুতেই সরকারি অফিসে মিটার বসানোর কথা। কিন্তু সেই উদ্যোগ সে ভাবে সফল হয়নি। এ নিয়ে দেশের অন্য রাজ্যের মতো বাংলাতেও বিরোধিতা তৈরি হয়। এর পরে রাজ্যের বিদ্যুৎ রেগুলেটরি কমিশনে যায় বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। জানানো হয়, কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের Revamped Distribution Sector Scheme ঘোষণা হয় ২০২২ সালের অগস্টে। পরের বছর সেপ্টেম্বরে কী ভাবে বাংলায় তা চালু করা হবে, তা ঠিক করে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। এ-ও বলা হয় যে, কোনও সরকারি অফিস যদি Post Paid থেকে Pre Paid পদ্ধতিতে আসতে চায় তবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে পরের ১০ দিনের মধ্যে বকেয়া মিটিয়ে ফেলতে হবে। তাতে বকেয়ার ওপরে ৪ শতাংশ ছাড়় পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন, আগামী সপ্তাহেই পাহাড় সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক বৈঠকে

বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই প্রস্তাব কার্যকরের পক্ষেই রায় দেয় বিদ্যুৎ রেগুলেটরি কমিশন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি সেই রায় মেলার পরে এ বার অর্থ দফতরও সব অফিসকে আগাম বিদ্যুৎ বিল মেটানোর অনুমতি দিয়েছে। বলা হয়েছে, প্রত্যেক অফিসকেই মিটার পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন নিতে হবে। রাজ্যের অর্থ দফতর গত ২৮ অক্টোবর এই মর্মে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা সব সরকারি অফিসে Smart Electric Meter বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সব সরকারি দফতর আগাম বিদ্যুতের খরচ Recharge করে নিতে পারবে। এক সঙ্গে কয়েক মাসের টাকা জমা দেওয়া গেলেও মাসে মাসে রিচার্জের কথাই বলেছে অর্থ দফতর। এর জন্য ট্রেজারি থেকে আগাম টাকাও পাওয়া যাবে। তবে নির্দেশে এ-ও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোনও অফিস রিচার্জের জন্য নেওয়া টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া টাকা মেটাতে পারবে না। তবে শুধু সরকারি অফিসেই নয়, ধাপে ধাপে শিল্প এবং বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রেও Pre Paid পদ্ধতি চালু করতে চায় বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। সেই সঙ্গে বড় শহরগুলি দিয়ে শুরু হবে সাধারণ গ্রাহকদের মিটার-বদল প্রক্রিয়া। এর পরে পুরসভা এবং পঞ্চায়েতগুলিতেও Pre Paid Meter বসানোর লক্ষ্য রয়েছে।  

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00