Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সরকারি জমি জবরদখলে অভিযুক্ত খোদ মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্তে ভূমি দফতর

শ্রীকান্ত মাহাতো। ৩ বারের বিধায়ক এবং রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধেই উঠেছে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বার্তা আগেই গিয়েছিল। স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল, সরকারি জমি জবরদখলকারীদের রেয়াত করা হবে না। তা সে যেই হোক না কেন। শাসক দল নাকি বিরোধী দল, সেটা আলাদা করে বিচার্য করা হবে না। যেই সরকারি জমি জবরদখল করবে, তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর সেটা কড়া ব্যবস্থাই। প্রয়োজনে গ্রেফতারির পথেও হাঁটবে রাজ্য প্রশাসন। সেটা যে মুখের কথা ছিল না, তা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি লাগোয়া এলাকার জমি হাঙররা। কেউ শাসক দলে থেকে, কেউ বিরোধী দলে থেকে সরকারি জমি লুঠ চালিয়েছিলেন। এখন অনেকেই দিন কাটাচ্ছেন জেলের অন্দরে। এবার সেই একই অভিযোগের র‍্যাডারে চলে এসেছেন রাজ্যেরই এক মন্ত্রী যিনি কিনা শাসক দলেরই বিধায়ক। শ্রীকান্ত মাহাতো(Srikanto Mahato)। পশ্চিম মেদিনীপুর(Paschim Midnapur) জেলার শালবনি(Shalbani) বিধানসভা কেন্দ্রের ৩ বারের বিধায়ক(TMC MLA) এবং রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী(Minister of State for Consumer Affairs Department)। তাঁর বিরুদ্ধেই উঠেছে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ(Allegations of Grabbing Government Land)। সেই অভিযোগ গিয়ে পৌঁছেছে মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে। আর তারপরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) নির্দেশে শ্রীকান্তের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে ভূমি দফতর(Investigation Start Under Land Department)।

আরও পড়ুন, পিছন থেকে আন্দোলনে মদত যুগিয়ে এখন হাত কামড়াচ্ছে বিজেপি

জানা গিয়েছে, শ্রীকান্তের বিরুদ্ধে সরকারি জমি জবরদখলের লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে। তার জেরে মুখ্যমন্ত্রী ভূমি দফতরকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলেই নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। রাজ্য ভূমি দফতরের নির্দেশিকা জেলায় আসার পরে শালবনির বিডিও রোমান মণ্ডলের কাছে একটি নির্দেশিকা পাঠান পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও ভূমি সংস্কার) সুমনসৌরভ মহান্তি। তিন দিনের মধ্যে তদন্ত-রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। বিডিও মানছেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ওখানকার জমি নিয়ে রিপোর্ট চেয়েছেন।’ অভিযোগ ঠিক কী? শ্রীকান্তের স্ত্রী অঞ্জনা মাহাতো জেলা পরিষদ সদস্য। জানা যাচ্ছে, শালবনির সৈয়দপুরের দক্ষিণশোল মৌজায় শ্রীকান্ত তাঁর শ্যালক তরুণ মাহাতোর নামে কয়েক কোটি টাকায় ৩.৬০ একর জমি কিনেছেন। অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে তার বাইরে আরও প্রায় ৬ভ একর জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করেছেন মন্ত্রী। এর মধ্যে গ্রামের একমাত্র শ্মশান, পুকুর, চাষযোগ্য জমিও রয়েছে। ওই জমি উদ্বাস্তু কলোনির। স্থানীয়দের পাট্টা দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন, মেঘনাদের মার খাওয়া, ২৪ পদ্মনেতার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার, বিজেপিতে প্রশ্নের মুখে শুভেন্দুর দাপট

এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগ জানান শুকদেব মজুমদার-সহ কিছু গ্রামবাসী। শুকদেবের দাবি, ‘উনি জোর করে জমি দখল করেছেন। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে, হুমকি দেওয়া হয়েছে।’ কিছু প্রতিবাদীকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগও রয়েছে। শ্রীকান্ত অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ওই জমি আমার নয়। আর ওখানে জোর করে জমি দখল হয়নি।’ উল্লেখ্য, আগেও বিতর্কে জড়িয়েছেন শ্রীকান্ত। তৃণমূলের তারকা সাংসদ, বিধায়ক থেকে একাংশ জেলা নেতৃত্ব ‘লুটেপুটে খাচ্ছে’ বলে শো-কজ়ের মুখে পর্যন্ত পড়েছিলেন তিনি। পরে দলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। তখন মুখ্যমন্ত্রীও তাঁকে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু শ্রীকান্তের দাপট কমেনি। বিশেষ করে জঙ্গলমহলের রাজনীতির যারা নিয়মিত খবর রাখেন, তাঁরা বিলক্ষণ জানেন, শ্রীকান্তের প্রভাব ও প্রতিপত্তি। ২০১১ সালে প্রথমবার বিধায়ক হয়েছিলেন শ্রীকান্ত। জিতেছিলেন মাত্র ৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে। ২০১৬ সালে সেই জয়ের ব্যবধান ছুঁয়ে ফেলে প্রায় ৬০ হাজারের ব্যবধান। অর্থাৎ ৫ বছরেই জয়ের ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ১২গুণ। তবে একুশের ভোটে সেই ব্যবধান কমে অর্ধেক হয়েছে। দেখার বিষয় জমি দখলের তদন্তের রিপোর্ট কী জমা পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00