Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সেচ-কর মকুব করে কৃষকদের পাশে মমতার সরকার

সরকারি সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষিজমিতে জল দেওয়ার জন্য এতদিন যে কর নেওয়া হতো, তা আর দিতে হবে না বাংলার কৃষকদের। সিদ্ধান্ত মমতা সরকারের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তরবঙ্গে(North Bengal) বৃষ্টি স্বাভাবিকের থেকে বেশিই হয়েছে চলতি বর্ষার মরশুমে। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে(South Bengal) এখনও বৃষ্টির ঘাটতি চলছে। চাষের জন্য পর্যাপ্ত জলের অভাব দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কাও বাড়ছে ক্রমশ। এই পরিস্থিতিতে সেচ-কর(Irrigation Tax) মকুব করে বাংলার কৃষকদের(Bengal Farmers) পাশে দাঁড়াল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। রীতিমত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে সরকারি সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষিজমিতে জল দেওয়ার জন্য এতদিন যে কর নেওয়া হতো, তা আর দিতে হবে না। এতদিন খরিফ মরশুমে প্রতি একরে ১৫ টাকা, রবি মরশুমে ২০ টাকা এবং বরো ধান চাষের জন্য একর পিছু ৫০ টাকা করে সেচ-কর নেওয়া হতো। ২০২৩-২৪ সালের বাজেটে এই কর মকুবের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাধীন দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ১২ জুলাই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যের সেচদফতর(Irrigation Department)। ফলে এখন থেকে রাজ্যের কৃষকদের সরকারি সেচের জন্য কোনও টাকা দিতে হবে না।

আরও পড়ুন দারিদ্রতা কমার নিরিখে এগিয়ে বাংলা, রিপোর্ট নীতি আয়োগের

বাংলার বুকে ১৯৮৪ সাল থেকে একর পিছু ৫ টাকা করে সেচ-কর দিতে হতো। ২০০৩ সালে তৎকালীন বাম সরকার এই কর কিছুটা বৃদ্ধি করেছিল। ওই বছর তা বাড়িয়ে ১৭ টাকা করা হয়। তবে বিগত ১২ বছরে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই সূত্রে কৃষিজমির খাজনা মকুব হয়েছে আগেই। এবার সেচের জন্য নির্ধারিত কর তুলে দেওয়ার ঘটনা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে দাবি করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের লক্ষাধিক চাষি উপকৃত হবেন। বাংলার কৃষকদের গড় আয় ইতিমধ্যে তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে তাঁরা আরও বেশি উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী প্রশাসনের কর্তারা।

আরও পড়ুন মমতার দেখানো পথে হেঁটেই দেশে রূপায়িত হবে ‘মিষ্টি’

২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে এই কর আদায়ে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হতো না। এই খাতে বছরে মাত্র ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা আসত রাজ্যের কোষাগারে। কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত বোঝা না চাপানোর নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা মাথায় রেখেই মুখ্যমন্ত্রী এই পদক্ষেপ গ্রাম বাংলার বুকে বড়সড় আলোড়ন ফেলতে চলেছে। শুধু তাই নয়, বাংলার কৃষকেরা যাতে চাষের জন্য পর্যাপ্ত সেচের জল পান তা নিশ্চিত করতেও উদ্যোগী হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। চলতি আর্থিক বছরে সেচ এবং ক্ষুদ্র সেচ দফতরের জন্য যথাক্রমে ৩৯৩৭.৭২ কোটি টাকা এবং ১৫৪৬.৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সেই টাকায় গ্রাম বাংলায় সেচ খালগুলি সংস্কার করার পাশাপাশি ক্ষুদ্রসেচের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00