Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

একলা চলোর ডাক কংগ্রেসের অন্দরে, অথৈ জলে বামেরা, জোটে আগ্রহী আইএসএফ

স্বস্তিতে নেই লালেরা। কেননা, কংগ্রেস চাইছে একা লড়াই করতে। বাম বাক্সে কত শতাংশ ভোট আসবে? ভাবাচ্ছে বামেদের। সুবিধা তৃণমূলের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের(Bye Election) দিনক্ষণ ইতিমধ্যেই ঘোষিত হয়ে গিয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর রয়েছে সেই নির্বাচন। এই ৬টি আসনের মধ্যে উত্তরবঙ্গে রয়েছে ২টি আসন ও দক্ষিণবঙ্গে রয়েছে ৪টি আসন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই ৬টি আসনের মধ্যে ৫টি গিয়েছিল তৃণমূলের(TMC) দখলে। ১টি পেয়েছিল বিজেপি(BJP)। এবারে তৃণমূল ৬-০ করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামছে। বিজেপি সবার আগে এই ৬ কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু তারপরেও তাঁরা এই ৬ কেন্দ্রের মধ্যে একটিতেও জিততে পারবে কিনা তা নিয়ে নিজেরাই ঘোর সন্দিগ্ধ। কেননা অনেকেই মনে করছেন আর জি কর আন্দোলনকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে বামেদের ঘুরে দাঁড়ানো লাল পার্টির প্রার্থীদের এই উপনির্বাচনে বাড়তি অ্যাডভান্টেজ দেবে। বাংলায় বিজেপির বাড়বৃদ্ধি হয়েছে বাম ভোট ভাঙিয়ে। কিন্তু এবার কিছুটা হলেও বাম ভোট রামের কাছ থেকে বামেদের(Left) কাছেই ফিরতে পারে। আর সেটাই বেশ চাপে রেখেছে বিজেপিকে। এর কিছুর পরেও অবশ্য স্বস্তিতে নেই লালেরা। কেননা, কংগ্রেস চাইছে একা লড়াই করতে।

আরও পড়ুন, আর মাত্র দেড় বছর, তারপরেই বীরভূমে কেষ্ট জমানার ইতি, নিজেই জানালেন অনুব্রত

বাংলায়(Bengal) তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে একুশের ভোটে বামেরা শুধু যে কংগ্রেসকে(INC) কাছে টেনেছিল তাই নয়, হাত ধরেছিল আইএসএফেরও। কিন্তু তাতে বাম বা কংগ্রেসের লাভ হয়নি। বরঞ্চ দুই দলই বাংলার বিধানসভা থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। আইএসএফ অবশ্য সক্ষম হয়েছে রাজ্য বিধানসভায় পা রাখার। এখন কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যেও বদল এসেছে। সেই সুবাদে তাঁদের মধ্যে এখন মতের পরিবর্তনও ঘটেছে। তৃণমূল বিরোধিতায় এখনও অনড় প্রদেশ কংগ্রেসের বেশির ভাগ নেতাই। কিন্তু কংগ্রেস হাইকম্যান্ড চান না রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক সাপে নেউলে হয়ে থাকুক। এই অবস্থায় প্রদেশ কংগ্রেসের বর্তমান রাজ্য নেতৃত্ব উগ্র তৃণমূল বিরোধিতায় হাঁটতে চাইছে না। আবার বামেদের সঙ্গেও মাখামাখি করতে চাইছে না। তাঁরা এখন আগ্রহী একক ভাবে লড়াই করে দলের ভোট ব্যাঙ্ক ও সমর্থন বাড়িয়ে নিতে। আর সেটাই এখন চাপে ফেলে দিয়েছে বামেদের। কংগ্রেস একক ভাবে লড়াই করে কোথাও জিততে পারবে না সেটা সবাই জানে। কিন্তু পাশে কংগ্রেস থাকলে বামেরা কিছু আসনে তৃণমূলকে কঠিন লড়াই দিতে পারতো। সেই সুযোগ আর থাকছে না।

আরও পড়ুন, GST জয়ের পরে পরেই ওষুধের দামবৃদ্ধি রুখতে মোদিকে চিঠি মমতার

এই অবস্থায় বামেরা চাইছে, আইএসএফের সঙ্গে জোট গড়তে। সেই জোটে আগ্রহী আইএসএফও। সেক্ষেত্রে হাড়োয়া বামেরা ছেড়ে দেবে আইএসএফ-কে লড়াই করার জন্য। নিজেরা বাকি ৫ আসনে প্রার্থী দেবে। সেই সঙ্গে সিপিআই(এম) চেষ্টা করছে নিজেরা নৈহাটি ও তালড্যাংরায় প্রার্থী দিয়ে বাকি ৩ আসন ৩ বাম শরিককে ছেড়ে দিতে। সেক্ষেত্রে মাদারিহাটে আরএসপি, সিতাইয়ে ফরওয়ার্ড ব্লক এবং মেদিনীপুরে সিপিআই প্রার্থী দেবে। কিন্তু তারপরেও প্রশ্ন থাকছে, কত শতাংশ ভোট মিলবে সেক্ষেত্রে। কেননা যে আর জি কর কাণ্ডকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে বামেদের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা, সেই চেষ্টাই কার্যত ব্যর্থ হতে বসেছে ডাক্তারদের পদক্ষেপে। তাঁদের কর্মবিরতি ক্ষুব্ধ করে তুলছে সাধারণ মানুষকে। সেই ক্ষোভের ঝড় আছড়ে পড়তে পারে বাম বিরোধী তৃণমূলের ঘরে। সেখানে বেশি ভোট পড়লে, বামেদের ভাগ্যে কী আসবে? বিজেপি যদি নিজেদের ভোটের সঙ্গে তাঁদের দিকে যাওয়া বাম ভোট ধরে রাখতে সক্ষম হয় তাহলে বাম বাক্সে কত শতাংশ ভোট আসবে? নাকি শেষে কুণাল ঘোষের কথা সত্যি করে তৃতীয় বা চতুর্থ হয়ে থাকতে হবে! ভাবাচ্ছে বামেদের।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00