Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মমতার মাস্টারস্ট্রোক, ভূমিহীন আবাস উপভোক্তারা সর্বাধিক ২ কাঠা করে জমি পাবেন

গোটা বিষয়টিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মমতা মাস্টারস্ট্রোক হিসাবেই দেখছেন। ১ কাঠার জয়াগায় ২ কাঠা জমি পেয়ে লাভবান হবেন উপভোক্তারাও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: যাদের মাথার ওপরে নিজস্ব পাকা ছাদ নেই, তাঁদের জন্যই দেশে আবাস যোজনার জন্ম দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রতিটি রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার(PMGAY) মাধ্যমে সেই বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার কাজ হতো। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে গত আড়াই বছরে সেই প্রকল্পের টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই সূত্রেই রাজ্যের ক্ষমতাসীন সরকার প্রথম দফায় বাংলার(Bengal) ১১ লক্ষ মানুষকে পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা আবাস যোজনার(Bangla Awas Yojna) মাধ্যমে। যেহেতু এই যোজনার মাধ্যমে বাড়ি নির্মাণের জন্য একা রাজ্য সরকার টাকা ঢালছে তাই এখানে কেন্দ্রের কোনও শর্তই আরোপিত হবে না বলে রাজ্য সরকার আগেই জানিয়ে দিয়েছে। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) জোর দিয়েছেন, ভূমিহীনদের বাড়ি তৈরির বিষয়টিও সুনিশ্চিত করার ওপরে। সেই সূত্রেই রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভূমিহীন আবাস উপভোক্তারা(Landless Housing Consumers) সর্বাধিক ২ কাঠা করে জমি পাবেন।

আরও পড়ুন, ভোটারদের ‘মন বুঝতে’ ৬ বিধানসভা কেন্দ্রে বুথস্তরে সমীক্ষা তৃণমূলের

গত অক্টোবর মাসে রাজ্যজুড়ে ৫টি জেলা বাদ দিয়ে যে আবাস সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছিল সেখানে দেখা গিয়েছে, বেশ কিছু ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নিজস্ব জমি নেই। অথচ সমস্ত দিক থেকেই তাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা পাওয়ার যোগ্য। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতে ভূমিহীনদের জন্য জমির ব্যবস্থা করে বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়ার সংস্থান রয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে নানা জটিলতার কারণে ভূমিহীনরা বাড়ি তৈরির আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। তবে রাজ্য যখন নিজের কোষাগার থেকে সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে বাড়ি তৈরি করে দিচ্ছে, তখন ভূমিহীনদের বাড়ি তৈরির বিষয়টিও সুনিশ্চিত করতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন। সেই কারণেই ভূমিহীনদের জন্য বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার ক্ষেত্রে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তার জন্য বাড়ি তৈরির টাকা প্রদানের আগেই তাঁদের হাতে জমির পাট্টা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। কেননা সেক্ষেত্রে তাঁদের মাথার ওপর পাকা ছাদ সুনিশ্চিত হবে। আর তাই রাজ্যের সব জেলাশাসককে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার সময় ভূমিহীনদের আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে।

আরও পড়ুন, কালীপুজো-দীপাবলিতে সারা রাজ্যে ৪ হাজার কোটির বাজি বিক্রি

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি তৈরি করতে সাধারণত ১ কাঠা করে জমি বরাদ্দ থাকে ভূমিহীন উপভোক্তাদের জন্য। কিন্তু রাজ্য সরকার এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভূমিহীন আবাস উপভোক্তাদের ২ কাঠা করে জমি দেওয়া হবে। অর্থাৎ কেন্দ্রের দ্বিগুণ জমি দিচ্ছে রাজ্য। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, অনেক সময় দেখা যায়, আবেদনকারী বর্তমানে যেখানে বসবাস করেন, তার কাছাকাছি জমি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেসব ক্ষেত্রে উপভোক্তাদের বিষয়টি বুঝিয়ে অন্যত্র জমি প্রদান করতে হবে। কার্যত জেলাশাসকদের বলেই দেওয়া হয়েছে একজনও ন্যায্য প্রাপক যেন আবাসের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন। মোট উপভোক্তার ০.৫ শতাংশ মানুষও যদি ভূমিহীন হন, তাহলে তাঁদের জন্যও সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। প্রতিটি জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি রাজস্ব) ও District Land and Land Reforms Officer বা DLLRO-দের কাছে ভূমিহীন আবাস উপভোক্তাদের তালিকা থাকবে। তাঁরাই এই ভূমিহীন আবাস উপভোক্তাদের জন্য জমি চিহ্নিত করে দেবেন। ঘটনা হচ্ছে, গোটা বিষয়টিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মমতা মাস্টারস্ট্রোক হিসাবেই দেখছেন। কেননা কেন্দ্রের যোজনায় যেখানে ভূমিহীন আবাস উপভোক্তাদের ১ কাঠা করে জমি দেওয়ার সংস্থান রয়েছে সেখানে রাজ্য দিচ্ছে ২ কাঠা করে। অর্থাৎ কেন্দ্রের প্রকল্প অপেক্ষা রাজ্যের প্রকল্পের সুবিধা যে বেশি সেই দাবিকেই মান্যতা দিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, প্রথম দফায় বিজেপির ৭০ শতাংশ প্রার্থীই ‘দাগি’

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

মহিলা সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন বৃদ্ধি বিল পাশ করাতে পারল না মোদি সরকার

জ্যান্ত পিঁপড়ে পাচারের দায়ে জরিমানাসহ ১ বছর কারাদণ্ড চিনা ব্যক্তির

সোমেই পুরোপুরি থামবে যুদ্ধ! পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসছে আমেরিকা-ইরান

0:00