Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সুপ্রিম নির্দেশের পরে পরেই রাজ্যে শুরু সিভিক সুমারির কাজ

রাজ্য পুলিশে এখন সিভিকের সংখ্যা ১ লক্ষ ৪০ হাজারের কাছাকাছি। সুপ্রিম নির্দেশের পরে এখন এদের ওপরেই চলছে শুমারির কাজ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সঞ্জয় রাই। এই একটা নামই এখন রাজ্যের সব সিভিক ভলান্টিয়ারদের(Civic Volunteer) প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। সিভিকদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও(Supreme Court) রাজ্য সরকারকে পড়তে হয়েছে প্রশ্নের মুখে। এই অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের সিভিকদের নিয়ে তথ্য দিতে রাজ্যজুড়ে শুরু করে দেওয়া হয়েছে সিভিক সুমারির(Civic Census) কাজ। কোন জেলায় ঠিক কতজন সিভিক রয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া কীভাবে চলেছে, বয়স ও উচ্চতার ক্ষেত্রে কী নিয়ম মানা হয়েছে, এই সংক্রান্ত যাবতীয় নথি তৈরির কাজ রাজ্য পুলিশ শুরু করে দিয়েছে। বিভিন্ন জেলার রিপোর্ট পুলিশ ডিরেক্টরেটে জমা পড়ার পর সমস্ত নথি পর্যালোচনা করে দেখা হবে। সেখানে কোনও ফাঁক  থাকলে, তার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) ক্ষমতায় আসার পর বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগের কাজ শুরু হয়। রাজ্য পুলিশে এখন সিভিকের সংখ্যা ১ লক্ষ ৪০ হাজারের কাছাকাছি।

আরও পড়ুন, আরও দেড় লক্ষ মানুষ বার্ধক্য ভাতার আওতায়, রাজ্যের খরচ ১২৬ কোটি

খাতায়কলমে সহযোগী বলা হলেও, জেলা পুলিশের থানা-ফাঁড়ির কাজ চালানোর ক্ষেত্রে তাঁরাই বড় ভরসা। পুলিশ কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় অপরাধের ঘটনাস্থল পাহারা দেওয়া বা তদন্তের কাজে তাঁদের কাজে লাগাতে বাধ্য হচ্ছেন জেলার সিনিয়র অফিসাররা। হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ডিউটিতে লাঠি হাতে তাঁদের নামানো হচ্ছে অভিযোগ এসেছে বিভিন্নমহল থেকে। এই নিয়ে বারবার বিতর্ক হয়েছে। সার্ভিস বুক না থাকায় শাস্তির ব্যবস্থাও নেই তাঁদের। সিভিক নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনও পদ্ধতি নেই। বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপাররাই জেলাস্তরে বিজ্ঞাপন দিয়ে তাঁদের নিয়োগ করে থাকেন। মাধ্যমিক পাস যে কোনও ছেলেমেয়ে সিভিকের চাকরিতে আবেদনের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন। নিয়োগের সময় নামমাত্র ইন্টারভিউ নেওয়া হয় সিভিকের প্রার্থীদের। তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়স সীমা বা উচ্চতা বেঁধে দেওয়া হয়নি। যে কারণে পঁয়ত্রিশ উর্ধ্ব অনেকে তো বটেই, এমনকী খর্বকায় হয়েও অনায়াসে সিভিকে চাকরি করছেন।

আরও পড়ুন, মেরেছিলেন বিজেপির অনন্ত, নিগৃহীত সন্ন্যাসীকে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন মমতা

রাজ্য পুলিশের(West Bengal State Police) সূত্র বলছে, বিভিন্ন জেলার এক একটি থানায় ৪০০ থেকে ৫০০জন সিভিক রয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গের এমন কিছু থানা রয়েছে যেখানে সিভিকের সংখ্যা তার চাইতেও বেশি। কমপক্ষে ৩০০ সিভিক মিলবে রাজ্য পুলিশের যে কোনও থানায় গেলেই। অভিযোগ তাঁদের অনেকেই ডিউটি করেন না। অথচ মাসের পর মাস তাঁরা বেতন পেয়ে যান। অভিযোগ, সিভিকদের একটা বড় অংশ রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রতিটি জেলা থেকে কোটি কোটি টাকা বিল আসছে রাজ্যের অর্থ দফতরে যা মেটাতে রীতিমতো হিমশিম অবস্থা প্রশাসনের। এখন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই সিভিক ভলান্টিয়ারদের স্ট্রিমলাইন করতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য পুলিশ। প্রতিটি জেলায় ঠিক কতজন সিভিক রয়েছেন, তাঁদের কোথায় কবে ইন্টারভিউ হয়েছে, কারা ইন্টারভিউ নিয়েছেন, কতক্ষণ ধরে একজনের ইন্টারভিউ চলেছে, কী কী নথি জমা নেওয়া হয়েছিল সহ সমস্ত তথ্য ঝাড়াইবাছাই করার জন্য নির্দেশ দেওয়া গিয়েছে প্রশাসনের শীর্ষস্তর থেকে। সেই সঙ্গে তাঁদের বেতন দিতে কত টাকা খরচ হয়েছে এবং কোথা থেকে টাকার সংস্থান করেছে প্রশাসন তার রিপোর্ট তৈরি করছে নবান্ন। যাতে শীর্ষ আদালতের কাছে রাজ্যকে বিপাকে পড়তে না হয়।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00