Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

Family Pension ও General Provident Fund নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

রাজ্যের অর্থদফতর দুটি বড় পদক্ষেপ করল Family Pension ও General Provident Fund নিয়ে। জারি হল সেই মর্মে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকাও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা(DA) নিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের(West Bengal State Government Employees) একাংশ যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Abhishek Banerjee) বাড়ির সামনে দিয়ে আন্দোলনের মিছিল নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সেই সময়েই দুটি বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল রাজ্য সরকার। এক, রাজ্যের অর্থদফতর(Finance Department) অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারের কর্মীদের Family Pension বা পারিবারিক পেনশন দ্রুত অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল এবং দুই, রাজ্য সরকারি কর্মী ও আধিকারিকরা বছরে ৫ লক্ষ টাকার বেশি General Provident Fund-এ টাকা জমাতে পারবেন না বলে নির্দেশিকা জারি করে দিল। প্রথমটি রাজ্যের সরকারি কর্মীদের কাছে বেশ স্বস্তিদায়ক হলেও দ্বিতীয়টি মোটা মাইনের বাবুদের কাছে বেশ অস্বস্তিদায়ক হয়ে উঠল এনিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আরও পড়ুন স্বাস্থ্যও শিল্প, ৩ বছরের মধ্যে মমতার বাংলায় ৫১৫টি নয়া হাসপাতাল

Family Pension নিয়ে অর্থদফতর ঠিক কী নির্দেশ দিয়েছে? জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত পেনশন প্রাপক সরকারি কর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর স্ত্রী বা স্বামী, অবিবাহিত বা বিধবা কন্যারা পারিবারিক পেনশন পান। কিন্তু পারিবারিক পেনশনের অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অনেক সময় বেশ দেরি হয়ে যাচ্ছে বলে রাজ্যের অর্থদফতরে বহু অভিযোগও এসেছে। এই দেরীর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দফতর থেকে পেনশন অনুমোদন সংক্রান্ত বিভাগের পাঠানো ফাইলে ত্রুটি থাকছে। এজন্য অর্থদফতর না চাইলেও পারিবারিক পেনশন অনুমোদন করতে দেরি হয়ে যায়। তাই এখন রাজ্যের অর্থদফতর নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্য সরকারের প্রতিটি দফতরকে এবার থেকে নিয়ম মেনেই ফাইল পাঠাতে হবে আর সেটা যত দ্রুত সম্ভব। এই ধরনের ফাইল ফেলে রাখা বা আটকে রাখা যাবে না। ইচ্ছাকৃত ভাবে এই ধরনের কোনও কাজ করা হলে দোষী কর্মী বা আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।  

আরও পড়ুন সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন অপরাধ, জানাল হাইকোর্ট

অন্যদিকে General Provident Fund নিয়ে রাজ্যের অর্থদফতর যে নির্দেশিকা জারি করেছে তাতে স্পষ্ট ব্লা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী এবার থেকে রাজ্য সরকারি কর্মী ও আধিকারিকরা বছরে ৫ লক্ষ টাকার বেশি General Provident Fund বা GPF-এ জমাতে পারবেন না। কারণ GPF-এ সুদের হারসহ অন্যান্য বিষয় কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মে চলে। গতবছর রাজ্য সরকারে কর্মরত সর্বভারতীয় ক্যাডারের আধিকারিকদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এবার সব আধিকারিক ও কর্মীর জন্য এটা চালু করে দেওয়া হল। নিয়মানুযায়ী রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মূল বেতনের ৬ শতাংশ টাকা GPF-এ জমার জন্য বেতন থেকে কাটানো বাধ্যতামূলক। কিন্তু একজন সরকারি কর্মী চাইলে মূল বেতনের পুরোটাই GPF-এ জমা করতে পারেন। GPF-এ জমা টাকার ওপর সুদের হার গত দু‌’বছরের বেশিকাল ধরে ৭.১ শতাংশে স্থির রয়েছে। কিন্তু সুদের হার এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদের অনেকেই ৬ শতাংশের বেশি GPF-এ কাটান। এখন যে নিয়ম চালু হল তাতে বছরে ৫ লক্ষ টাকার সর্বোচ্চ সীমা পেরনোর পর GPF-এ জমার জন্য বেতন থেকে টাকা কাটা হবে না। উচ্চ বেতনের কিছু আধিকারিক ছাড়া কেউই বছরে ৫ লক্ষ টাকার বেশি GPF-এ জমা দিতে পারেন না। ফলে, এই নির্দেশিকার প্রভাব সাধারণ কর্মীদের ওপর পড়বে না বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।   

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00