Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

গণধর্ষণের শিকার নন আরজি করের তরুণী চিকি‍ৎসক, রিপোর্টে উল্লেখ সিবিআইয়ের

আর জি করের মহিলা চিকিৎসককে ‘গণধর্ষণ’ করা হয়নি, একজনই এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে এমনটাই জানিয়েছে সিবিআই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আর জি কর কাণ্ডে(R G Kar Incident) রাজ্য সরকার(West Bengal State Government) প্রথম থেকেই বলে আসছিল, তাঁদের লুকাবার কিছু নেই। আর জি কর কাণ্ডে শুধুমাত্র সঞ্জয় রাই(Sanjay Rai) জড়িত, এমনটাই দাবি করেছিল কলকাতা পুলিশ(Kolkata Police)। দ্বিতীয় আর কারোর জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি। কিন্তু রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের সেই দাবি মানতে নারাজ ছিলেন নেটিজেনরা। তাঁদের দাবি, আর জি করের ঘটনায় একাধিক জন জড়িত এবং রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুলিশ তাঁদের বাঁচাতে চাইছে। সেই দাবি তুলেই আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। রাস্তায় রাস্তায় নেমে শ্লোগান তোলা হয়েছে, ‘We Want Justice’। কিন্তু সেই দাবি ধাক্কা খেল সুপ্রিম কোর্টে(Supreme Court) এদিন সিবিআইয়ের(CBI) জমা দেওয়া তদন্তের Status Report-এ। সেখানে নাকি দাবি করা হয়েছে, আর জি করের মহিলা চিকিৎসককে ‘গণধর্ষণ’ করা হয়নি, একজনই এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। সূত্রে তেমনটাই জানা গিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে দেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম। এমনকি তৃণমূলে কংগ্রেসের তরফেও একাধিক জন তা ট্যুইটের মাধ্যমে জানাতে শুরু করে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন, বেহাল সুকান্ত সেতুর দ্রুত মেরামত চায় পূর্ত দফতর , সরতে নারাজ হকাররা

আর জি কর কাণ্ডে নিহত চিকিৎসকের অবস্থা দেখে সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছেন যে, তাঁর ওপর মৃত্যুর আগে ও পরে ভয়াবহ অত্যাচার করা হয়েছে। সেই থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল যে এই ঘটনা কী একজন মানুষের পক্ষে করা সম্ভব? নাকি সেই ঘটনায় একাধিকজন জড়িত? নিহত চিকিৎসকের বাবা-মাও দাবি করেছিলেন সংবাদমাধ্যমের কাছে যে এই ঘটনায় একাধিক জন জড়িত। আর তার জেরেই আন্দোলনের নামে বাম-বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি তুলতে থাকেন যে, আসল ঘটনা লুকিয়ে রাখা হচ্ছে। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাঁদের বাঁচিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাজ্য সরকার ও পুলিশের তরফে। সেই কারণেই তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগেরও দাবি করেন। কিন্তু এদিন সেই সব আন্দোলনকারীদের বড় ধাক্কা দিয়ে দিল সিবিআইয়ের রিপোর্ট। সিবিআইয়ের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, নিহত চিকিৎসককে গণধর্ষণ করা হয়নি। সঞ্জয় রাই নামে যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই একমাত্র এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। ফরেন্সিক রিপোর্টেও একই দাবি করা হয়েছে। ডিএনএ রিপোর্টও এই ধর্ষণের ঘটনায় একজন যুক্ত বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে।

আরও পড়ুন, টাকা পাঠানো বন্ধ করেছে কেন্দ্র, বিদ্যুতের স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ অনিশ্চিত রাজ্যে

তবে, সিবিআইয়ের এই রিপোর্টকেই চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে না। সিবিআই এই রিপোর্ট একাধিক ফরেন্সিক এক্সপার্টদের দিয়ে যাচাই করবে বলে জানা গিয়েছে। গত ১৩ অগস্ট এই মামলার তদন্ত ভার পায় সিবিআই। এক সপ্তাহের বেশি হয়ে গেলেও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় কাউকে তাঁরা গ্রেফতার করতে পারেনি। এমনকি আর জি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন যে অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ উঠেছে, সত্য চেপে যাওয়ার, প্রমাণ লোপাট করার, তার বিরুদ্ধেও সিবিআই কোনও পদক্ষেপ করতে পারেনি। খালি দিনের পর দিন তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গিয়েছে। উল্লেখ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং আরও বেশ কিছু প্রমাণের ভিত্তিতে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয়কে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার দিন সঞ্জয়কে একাধিকবার হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বিল্ডিংয়ে ঢুকতে ও বের হতে দেখা গিয়েছে। চিকিৎসকের মৃত্যুর সময় সঞ্জয় হাসপাতালের ভেতর ছিল বলেও সিসিটিভি ফুটেজে প্রমাণ মিলেছে। পাশাপাশি, কলকাতা পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছিল, জেরায় সঞ্জয় নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছে। এখন সেই সব দাবিকেই কার্যত মান্যতা দিয়ে দিচ্ছে সিবিআইয়ের রিপোর্ট।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00