Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

শান্তনু জায়া কাকলি সেন বহিষ্কৃত দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে

কলকাতা পুরনিগমের দলীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে তৈরি তৃণমূলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কাকলিকে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে(R G Kar Medical College and Hospital) পড়ুয়া মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ খুনের ঘটনার(Woman Trainee Doctor Rape and Murder Incident)  মাঝেই তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের(Shantanu Sen) বেশ কিছু বক্তব্যের জেরে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে রাজ্যের শাসক দলকে। তার জেরেই দলের মুখপাত্রের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, আপাতত তৃণমূল ভবনেও তাঁকে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কালীঘাট মিলন সঙ্ঘে ‘দিদির দরবার’ কর্মসূচিতেও তাঁকে যোগ না দেওয়ার কথা বলে দেওয়া হয়েছে। শান্তনু সেনের সঙ্গে যখন তৃণমূল(TMC) এইভাবে দূরত্ব রচনা করছে, ঠিক তখনই শনিবার সকালে সামনে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। শান্তনু জায়া কাকলি সেন(Kakoli Sen), যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক এবং কলকাতা পুরনিগমের ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর, তাঁকে দলেরই একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ(Whatsapp Group) থেকে বহিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের(KMC) দলীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে তৈরি তৃণমূলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কাকলিকে। মনে করা হচ্ছে, পরিস্থিতির খুব উন্নতিসাধন না ঘটলে স্বামী-স্ত্রী দুইজনের জন্যই তৃণমূলের দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন, থানার ভিতরে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে অভিযুক্ত, শেষমেশ শ্রীঘরে ঠাঁই

আর জি কর হাসপাতালের ঘটনা নিয়ে শান্তনু সেনের একাধিক মন্তব্যে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে তৃণমূলকে। শান্তনুবাবু যে বিবৃতি দিয়েছেন, তা ভালোভাবে নেয়নি তৃণমূল নেতৃত্ব। এই অবস্থায় দলের কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। দলের মুখপাত্রের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আপাতত তৃণমূল ভবনেও তাঁকে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রতি রবিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে কালীঘাট মিলন সঙ্ঘে ‘দিদির দরবার’ কর্মসূচি হয়। সেখানেও শান্তনুকে আসতে বারণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা, অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য একটি আলাদা টেবিল থাকতো। সেখানে শান্তনু উপস্থিত থাকতেন। আর জি করের ঘটনার প্রেক্ষিতে তাঁকে সেখানে বসতে নিষেধ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, শান্তনু সেনের পরবর্তী কাজকর্মের দিকে নজর রাখছে তৃণমূল। তিনি কোথায়, কী বক্তব্য রাখছেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, কী কথাবার্তা হচ্ছে— সবটাই দলের নজরে রয়েছে বলে দাবি। এ বার তাঁর স্ত্রীকে কলকাতা পুরনিগমের দলীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে তৈরি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বহিষ্কার করা হল। সূত্রে খবর, তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের ‘নির্দেশে’ কাকলিকে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বার করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন, রাজ্যের বহু হাসপাতালে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ন্যায্য মূল্যের ওষুধ দোকান

ঘটনার পরে পরেই মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছেন শান্তনু-জায়া। উভয়ের মধ্যে কী কথোপকথন হয়েছে, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছুই জানাননি তাঁরা। তবে পুরনিগম সূত্রে খবর, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ‘নির্দেশেই’ যে তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বার করে দেওয়া হয়েছে, তা কাকলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতি বার পুরনির্বাচনের পর নতুন কাউন্সিলরেরা নির্বাচিত হলে তাঁদের নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরির প্রথা রয়েছে কলকাতা পুরনিগমে। যেখানে পুরনিগম কর্তৃপক্ষের নানা নির্দেশ, কাজকর্মের তথ্য দেওয়া হয় ধারাবাহিক ভাবে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের পুর নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হন কাকলি। তাঁর আগে এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন শান্তনু। ২০১৮ সালে কাউন্সিলর থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করেন। তাই ২০২১ সালের পুর নির্বাচনে তাঁর বদলে প্রার্থী হন স্ত্রী কাকলি। ভোটে জয়ী হলে কলকাতা পুরনিগমের তৃণমূল কাউন্সিলরদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হন তিনি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তৃণমূলের এক সর্বোচ্চ নেতার ‘নির্দেশেই’ কাকলিকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে সরানো হয়েছে।

আরও পড়ুন, দেশজুড়ে ৫৫ হাজার হাসপাতালে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে রোগীরা

উল্লেখ্য, আর জি কর-কাণ্ডে শান্তনুর বক্তব্যকে প্রকাশ্যেই সমর্থন জানিয়েছিলেন কাকলি। এমনকি আর জি করে মহিলা চিকিৎসকের খুনের ঘটনার পর প্রকাশ্যেই রাজ্যের নারী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শান্তনু জায়া। প্রসঙ্গত, শান্তনু কাকলির একমাত্র কন্যা সৌমিলী সেনও আর জি করে ডাক্তারি পড়ছেন। সেই হাসপাতালে মেয়ের সুরক্ষা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁরা। আবার ১৪ অগস্ট রাতে ‘মেয়েদের রাত দখল’ কর্মসূচিতে সিঁথিতে মেয়ে সৌমিলীকে নিয়ে সামিল হন কাকলি। আর তাতেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের ‘ক্ষোভ’ চরমে ওঠে। তার পরেই কাকলিকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে সরানো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে কলকাতা পুরনিগমের স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শদাতা পদে রয়েছেন শান্তনু। তাই কলকাতা পুরনিগম ভবনে তাঁর নিজস্ব চেম্বার রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, দলের সঙ্গে ‘দূরত্ব’ হওয়ার কারণে সেই পদ থেকেও তাঁর অপসারণ এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00