Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

নারী সুরক্ষায় ১৫ দফা নির্দেশিকা জারি কলকাতা পুলিশের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কলকাতা পুলিশের তরফে বিনীত গোয়েল ১৫ দফা নির্দেশিকা জারি করলেন শহরের মহিলাদের সুরক্ষা চূড়ান্ত করতে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নানান সমীক্ষায় উঠে এসেছিল দেশের মধ্যে মেয়েদের জন্য সব থেকে নিরাপদ শহর(Safest City in India for Women) হল কলকাতা(Kolkata)। একবার নয়, একাধিকবার এবং টানা এই খেতাব পেয়ে চলেছে কলকাতা। কিন্তু সেই কল্লোলিনী তিলোত্তমার বুকেই খোদ সরকারি হাসপাতালে ঘটে গিয়েছে নারকীয় কাণ্ড(R G Kar Incident)। আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুন করেছে কলকাতা পুলিশেরই এক সিভিক ভলান্টিয়ার। সেই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের(Kolkata Police) পাশপাশি মুখ পুড়ছে শহর কলকাতারও। সেই ঘটনার জেরেই এবার কলকাতা পুলিশের তরফে বাহিনীর কমিশনার বিনীত গোয়েল(Vineet Goyel) ১৫ দফা নির্দেশিকা(15 Point Guidelines) জারি করলেন শহরের হাসপাতাল থেকে হোস্টেলে মহিলাদের সুরক্ষা চূড়ান্ত করতে। আর সবটাই করা হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) নির্দেশে। লালবাজার সূত্রে তেমনটাই জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যক্তিগত ঋণ দেবে সরকার

কমিশনারের তরফে জানানো হয়েছে, আরজি কর-কাণ্ডের পর শহরে মহিলাদের সুরক্ষার বিষয় নিয়ে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতিতে মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রধান কাজ। সেই কারণে বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। তা কী বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়? বলা হয়েছে, নারীর বিরুদ্ধে অপরাধপ্রবণ, শহরের এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে এবং সেখানে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সরকারি হাসপাতাল, বাড়ি, মহিলা হস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রিভিউ করতে হবে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সেজন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়াতে হবে এবং পুলিশের নিজস্ব লোকজনের ওপরও নজরদারি করতে হবে। পুলিশ শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর অংশ। মানুষ সাহায্যের জন্য পুলিশের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের কখনোই আইনের বিরুদ্ধ আচরণ করা উচিত নয়। এটা অবশ্যই সবার কাছে পরিষ্কার হতে হবে। নির্দেশিকায় জোর দেওয়া হয়েছে যে, সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রামীণ পুলিশ-সহ বাহিনীর কোনও পুলিসশকর্মী আইন ভাঙলে তাঁর প্রতি জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। সকলকে অবশ্যই এই বিষয়ে বারবার অবহিত করতে হবে। কেউ আইন লঙ্ঘন করলে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন এবং/অথবা বিভাগীয় ব্যবস্থা নিন।

আরও পড়ুন, স্বাধীনতার সকালে কলকাতার রেড রোডে ফুটে উঠবে ‘অখণ্ড বাংলা’র বার্তা

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, শহরের মধ্যে প্রয়োজনীয় সব জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে সংবেদনশীল এলাকায় তাঁদের সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে উৎসাহিত করতে হবে। নারী সুরক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে। মহিলাদের নিরাপত্তা প্রভাবিত হতে পারে, এমন সমস্যাগুলি চিহ্নিত করতে পুলিশকে মহিলা ডাক্তার, কলেজছাত্রী, স্কুলছাত্রীদের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ করতে হবে। এজন্য মহিলা পুলিশদের কাজে লাগাতে হবে বেশি করে। কলেজ, হাসপাতাল, হস্টেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মহিলা পুলিশ টিমকে নিয়মিত পরিদর্শনের কাজে নামাতে হবে। হাসপাতালের OP-র সমস্ত অফিসার ইনচার্জ এবং অন্যান্য সমস্ত ভারপ্রাপ্তরা মহিলাদের নিরাপত্তা বিষয়টি সমস্ত অধস্তনদের পর্যাপ্তভাবে ব্রিফ করতে হবে। জনসাধারণের সঙ্গে বিশেষ করে মহিলা ও বয়স্কদের প্রতি সংবেদনশীল ব্যবহার করতে হবে। ডাক্তার, নার্স এবং সরকারি হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ বাড়াতে হবে, তাঁদের বোঝাতে হবে, পুলিশ তাঁদের সাহায্য করার জন্য সর্বদা রয়েছে। তাঁদের নিজেদের নিরাপত্তাহীন বোধ করার কোনও কারণ নেই। মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইনচার্জদের সঙ্গে আলোচনা করে নিরাপত্তার দিকটি পর্যালোচনা করতে হবে। কোথাও কোনো পরিকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে মনে হলে প্রয়োজনীয় বব্যবস্থা নিতে হবে। দরকার হলে মোবাইল টহলদারি, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ বাড়াতে হবে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00