Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

গ্রেফতার হওয়া ৯ সঙ্গীকে ছাড়াতে সপ্তমীর সকালেও বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে ধর্নায় আন্দোলনকারীরা

আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, আটক ৯জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কিন্তু কলকাতা পুলিশের তরফে এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি এই নিয়ে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: অভয়া কাণ্ডে বিচার-সহ ১০ দফা দাবিতে পুজোর মরশুমেও ধর্মতলায় আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। একইসঙ্গে গতকাল ‘অভয়া পরিক্রমা’-র কর্মসূচি ছিল জুনিয়র চিকিৎসকদের। আর জি কর এবং জয়নগরের নির্যাতিতার ‘প্রতীকী মূর্তি’ নিয়ে শহরের মণ্ডপগুলিতে ঘুরতে শুরু করেছিলেন তাঁরা। সেই সূত্রেই গতকাল রাতে তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন দক্ষিণ কলকাতার(Kolkata) ত্রিধারা সম্মিলনীর মণ্ডপে। ঘটনাচক্রে, ওই পুজো আবার তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিষ কুমারের বলেই পরিচিত। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে ‘বিচার চাই’ স্লোগান তোলেন তাঁরা। সেই নিয়ে তাঁদের সঙ্গে বচসা বাঁধে দর্শনার্থীদের সঙ্গে ও পুজো কমিটির সদস্যদের সঙ্গে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯জন আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় লালবাজারে। পরে জানা যায় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ৯জনকে ছাড়ানোর দাবিতে লালবাজারের(Lalbazaar) অদূরে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে ধর্নায় বসেন আন্দোলনকারীরা(Protesters)। সেই ধর্না চলছে সপ্তমীর সকালেও।

আরও পড়ুন, পুজোর আনন্দ উধাও, সব হারিয়ে দিন কাটছে খোলা আকাশের নীচে

আন্দোলনকারীদের দাবি, পুজো মণ্ডপে ‘বিচার চাই’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ৯ জনকে অবিলম্বে ছাড়তে হবে। আটক ৯ জনকে ছাড়া না-হলে অবস্থান চালিয়ে যাবেন তাঁরা। তবে এদিন ধর্নায় বসা আন্দোলনকারীদের সংখ্যা কমতির দিকেই লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে তারপরেও গতকাল রাত থেকেই কার্যত দুর্গের চেহারা নিয়েছে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট(Bentinck Street)। গার্ডরেলে মোড়া রয়েছে গোটা এলাকা। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশবাহিনীও। ঘটনা হচ্ছে, আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, আটক ৯জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কিন্তু কলকাতা পুলিশের তরফে এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি এই নিয়ে। ফলে গোটা বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই গিয়েছে। আন্দোলনকারীরা এদিন জানিয়েছেন, ‘রাজ্য প্রশাসন আন্দোলনে ভয় পেয়েছে। তাই মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিবাদীদের ধরপাকড় করা হচ্ছে। আটক হওয়া ৯জনকে যত ক্ষণ না ছাড়া হচ্ছে, আমরা এখানেই বসে থাকব।’ এদিকে গতকাল রাতে জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। স্বাস্থ্য ভবনে চলে সেই বৈঠক। বৈঠক শেষ করে জুনিয়র ডাক্তাররা জানান, সরকারের মুখের কথায় তাঁরা অনশন তুলে নেবেন না। তাই সেই অনশন এদিন সকালেও চলছে।

আরও পড়ুন, দমবন্ধ করা ভিড়, ভিড় সামলাতে বিশেষ নিরাপত্তা-ব্যবস্থা কলকাতা মেট্রোয়

তবে ঘটনা হচ্ছে, ডাক্তারদের পাশ থেকে ক্রমশই সরে যাচ্ছেন আমজনতা। যেভাবে মণ্ডপে মণ্ডপে ঢুকে গায়ের জোরে ‘বিচার চাই শ্লোগান’ তোলা হচ্ছে, সরকার বিরোধী শ্লোগান তোলা হচ্ছে, তা আর মানতে নারাজ আমজনতা। তাই আন্দোলনমুখী ডাক্তারদের নিয়ে আমজনতারও ক্ষোভ চড়ছে। সেই জনতার পাশে না থাকার ছবি এখন যেমন ধর্মতলার অনশন মঞ্চে ধরা পড়ছে তেমনি ধরা পড়ছে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের ধর্নাস্থলেও। আবার এটাও শোনা যাচ্ছে, আন্দোলনকারীরাই এখন দুই ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছেন। একদল বাম আর অতিবাম, যাদের হাতে আন্দোলনের রাশ চলে গিয়েছে এবং অপর ভাগ যারা আন্দোলন সমর্থন করছেন কিন্তু কর্মবিরতি ও সরকার বিররোধী শ্লোগান তোলার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এই শেষের অংশই এখন আন্দোলন থেকে ক্রমশ সরে যাচ্ছেন। আর এই সরে যাওয়ার জন্য তাঁরা দোষ দিচ্ছেন বাম আর অতিবাম রাজনীতিকেই। তাঁদের অভিযোগ, ‘এই আন্দোলন আমরা চাইনি। অভয়ার ধর্ষণ-খুনের দ্রুত বিচার ছিল আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এখন সেটাই পিছনের সারিতে চলে গিয়েছে। চলছে শুধু স্বার্থসিদ্ধির রাজনীতি।’ তাঁদের দাবি, পুরো আন্দোলনটাই হাইজ্যাক করে নিচ্ছে অতিবাম রাজনীতি। তাই দিশা হারাচ্ছে প্রতিবাদ।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00