Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আরজি কর কাণ্ডে তদন্ত কোন পথে, কেস ডায়েরি চেয়ে পাঠালো কলকাতা হাইকোর্ট

আর জি কর কাণ্ডে পুলিশি তদন্ত কোন পথে তা জানতে এদিন দুপুর ১টার মধ্যে কেস ডায়েরি আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসক খুনের ঘটনার(R G Kar Incident) একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে(Calcutta High Court)। এদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সেই সব মামলার একযোগে শুনানি শুরু হয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই মামলায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন জানান মৃতা চিকিৎসক পড়ুয়ার বাবা। তবে তিনি এদিন হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাননি। পরিবর্তে চেয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে পুলিশের তদন্ত চলুক। এই ঘটনায় শুধুমাত্র সঞ্জয় রাই একা জড়িত নাকি তাতে আরও কেউ জড়িয়ে আছে কিনা সেটাও তদন্তের মাধ্যমে উঠে আসুক স্বচ্ছ ভাবে, তেমন আর্জিও জানান সদ্য কন্যাহারা পিতা। সেই আর্জি শুনেই কলকাতা হাইকোর্ট পুলিশি তদন্তের(Police Enquiry) কেস ডায়েরি(Case Dairy) চেয়ে পাঠিয়েছে। এদিনই দুপুর ১টার মধ্যে কেস ডায়েরি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

আরও পড়ুন, ‘অধ্যক্ষকে স্বেচ্ছায় ছুটিতে চলে যেতে বলুন’, সন্দীপ কাণ্ডে কড়া প্রতিক্রিয়া হাইকোর্টের

মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে আর জি কর কাণ্ডে দায়ের হওয়া মোট ৪টি জনস্বার্থ মামলার শুনানি শুরু হয় একযোগে। সেই শুনানির সময়ই এজলাসে আসেন মৃতার বাবা। তিনি মামলায় জড়িত হতে চান বলে আদালতকে জানান তাঁর আইনজীবী। সেই আর্জি প্রত্যাখান করেনি আদালত। তাঁকে মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। শুনানি চলাকালীন সময়ে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতকে জানান, ‘প্রথমে পরিবারের কাছে কেউ এক জন ফোন করে বলেন আপনাদের মেয়ে অসুস্থ রয়েছেন। তার পরে আবার ফোন করে বলা হয়, আপনাদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু ময়নাতদন্ত তা বলছে না। ঘটনাস্থলে ওই মহিলা চিকিৎসককে এমন অবস্থায় দেখা যায়, সাধারণ ভাবে যে কেউ বলবেন এটা কোনও ভাবেই আত্মহত্যা হতে পারে না।’ সেই কথা শুনেই প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, ‘কে বলেছিলেন ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন?’

আরও পড়ুন, বুধে কন্যাশ্রী দিবসের ১১ বছরে পদার্পণ, মমতার সঙ্গেই হবে উদযাপন

তার উত্তরে বিকাশবাবু জানান, ‘কেউ একজন ফোন করে এই কথা বলেছেন। তিনি তাঁর নাম পরিচয় সামনে আনেননি। আবার পুলিশের তরফ থেকে ফোন করে বলা হয় যে সর্বোচ্চ মহল থেকে বলা হয়েছে, এই ঘটনার মীমাংসা করে নিতে এবং কাউকে না বলতে। আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা জানিয়েছেন যে এই ঘটনা একজনের দ্বারা ঘটানো সম্ভব নয়।’ এরপরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এটা কিভাবে সম্ভব? সন্দীপ ঘোষ এতই প্রভাবশালী? পদত্যাগ করার চার ঘন্টার মধ্যে তাকে ফের দায়িত্ব দেওয়া হল! আপনারা তাঁকে এভাবে পুরস্কৃত করতে পারেন না।’ এর পর তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন, ‘সন্দীপ ঘোষের বয়ান রেকর্ড করেননি কেন? তিনি তো ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান। কেন তাঁকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন? কিছু একটা মিসিং আছে। আজ বিকাল ৩টের মধ্যে সন্দীপ ঘোষকে বলুন ছুটির আবেদন করে লম্বা ছুটিতে যেতে। না হলে আমরা প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেব।’

আরও পড়ুন, মহিলাদের সমান Child Care Leave পাবেন পুরুষেরাও, রায় কলকাতা হাইকোর্টের

এরপর বিকাশবাবু জানান, ‘মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাবা-মা তৎক্ষণাৎ আর জি করে যান। কিন্তু তাঁদের ৩ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল। সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী ওনাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ওনাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সঙ্গে ছিলেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলও। পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়েও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, পুলিশি তদন্তের সময়সীমার কথা। জানিয়ে দেন, রবিবারের মধ্যে তদন্তের কিনারা না হলে, এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দিয়ে দেওয়া হবে। কেন সিবিআইকে দেওয়ার জন্য আরও সময় দেওয়া হবে? আমাদের আশঙ্কা সিবিআইয়ের হাতে তদন্ত যেতে যত দেরী হবে ততই প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাবে। এ ছাড়াও ওই ঘটনায় কে বা কারা জড়িত, অবিলম্বে তদন্ত করে তা প্রকাশ্যে আনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিক আদালত।’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00