Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

জুনিয়র চিকিৎসকদের ১ মাসের কর্মবিরতিতে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত ৯ লক্ষ মানুষ

৯ অগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জন্য চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ৯ লক্ষ মানুষ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে(R G Kar Medical College and Hospital) এক পড়ুয়া চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায়(Doctors Rape and Murder Case) সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছিল। সেই মামলার শুনানি আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। এদিন আবারও সেই মামলার শুনানি রয়েছে দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে। এদিনই আবার আর জি কর ঘটনার তদন্তে নামা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI তাঁদের তদন্তের Status Report জমা দেবে দেশের শীর্ষ আদালতে। এই আবহেই সামনে এক রাজ্যে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতির(Junior Doctors Strike) জন্য গত ১ মাসে প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এই হিসাব রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের। ৯ অগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কত সংখ্যক মানুষ জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জন্য চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সেটাই তুলে ধরেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন, রাজ্যের সব Smart Panchayat’র সব বাড়ি পাবে Unique Identification Number

জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির প্রথম ১৫ দিনেই রাজ্যবাসীর সম্ভাব্য দুর্ভোগ আন্দাজ করা গিয়েছিল। বিশেষত বিনামূল্যের সেরা চিকিৎসাই যাদের একমাত্র ভরসা, সেই গরিব ও মধ্যবিত্তরাই সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন এখন। প্রথম ১৫ দিনে এমন চিকিৎসা বঞ্চিতের সংখ্যা ছিল ৬ লক্ষ! কর্মবিরতির একমাস পূর্তির পর সেটাই দাঁড়িয়েছে ৯ লক্ষ। কোথা থেকে এই হিসাব পেল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর? রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের হিসাব বলছে, সাধারণ সময়ে প্রতি মাসে রাজ্যের ২৪টি মেডিকেল কলেজ এবং কলকাতার ৩টি বড় হাসপাতাল মিলিয়ে মোট ২৭টি জায়গায় ২০ লক্ষ রাজ্যবাসী আউটডোরে ডাক্তার দেখাবার সুযোগ নেন। সেখানে ৯ অগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহির্বিভাগে চিকিৎসা হয়েছে ১১ লক্ষের মতো। অর্থাৎ বঞ্চনার শিকার ৯ লক্ষ মানুষ। ধাক্কা খেয়েছে বিনামূল্যের জরুরি রোগ ও রক্ত পরীক্ষাও। সাধারণ সময়ে রোগ ও রক্ত পরীক্ষার কেস থাকে ১৭ লক্ষাধিক। সেটাই ৯ অগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হয়েছে মাত্র ৭ লক্ষ। অর্থাৎ ১০ লক্ষ মানুষ বিনামূল্যে জরুরি রোগ ও রক্ত পরীক্ষার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত থেকেছেন।

আরও পড়ুন, ১০ বছরের সমস্যা মিটে গেল ১০ দিনেই, নেপথ্যে অভিষেক, জমির দখল পেল ১৬ পরিবার

জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতির প্রভাব পড়েছে অপারেশনের টেবিলেও। গত একমাসে রাজ্যের ২৭টি হাসপাতালে দৈনিক গড়ে মাত্র ৪টি করে অপারেশন হয়েছে! তবে সম্প্রতি পিজিতে অপারেশনের সংখ্যা বেড়ে ৩০টি হয়েছে। সংখ্যাটি এনআরএসে ২৭টি। বাকি ২৪টি মেডিক্যাল কলেজের বেশিরভাগেই দৈনিক অপারেশনের সংখ্যা ২ সংখ্যা ছোঁয়নি। এর থেকেই পরিষ্কার, কর্মবিরতির ফলে সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার কোন কোন জায়গায় কতটা ক্ষতি হযেছে। আউটডোরে রোগীদের রক্তচাপ, নাড়ির গতি, ওজন, সুগারসহ শারীরিক অবস্থার প্রাথমিক প্রধান সূচকগুলি মেপে থাকেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তারপর আসে রোগীর হিস্ট্রি নেওয়া এবং আনুষঙ্গিক কাজ। ইন্ডোরে রক্ত টানা থেকে শুরু করে চ্যানেল করা, নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর রোগীর শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখা, রাউন্ড দেওয়া প্রভৃতি সবেতেই জুনিয়র ডাক্তারদের অংশগ্রহণ আবশ্যিক। আর ছোট বড় অপারেশনে সিনিয়র ডাক্তারদের সাহায্যকারী হিসেবে কখনও, কখনও আবার প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী হিসাবে জুনিয়র ডাক্তারদের অংশগ্রহণ ‘মাস্ট’। তাঁরা টিমে না-থাকলে মাঝারি এবং বড় কোনও অপারেশন করা প্রায় অসম্ভব। আর তার জেরেই এই ধাক্কা নেমে এসেছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00