Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মমতার নির্দেশ মতো ওয়েনাডে সাকেত-সুস্মিতা, ঘুরে দেখলেন এলাকা

শনিবার ওয়েনাডে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে চলে গেলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দুই সাংসদ সাকেত গোখলে এবং সুস্মিতা দেব।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দিন দুই আগে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস(TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) ট্যুইট করে জানিয়েছিলেন, ‘কেরালার(Kerala) ওয়েনাডে ভূমিধসের(Wayanad Landslides Incident) খবরে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। এটা সত্যিই একটি মারাত্মক বিপর্যয়। মানবিক কারণে, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের জন্য আমাদের দুই সাংসদ – সাকেত গোখলে এবং সুস্মিতা দেবের একটি দল পাঠাচ্ছি। তাঁরা সেখানে দুই দিন থাকবেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মঙ্গল কামনায় সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতা করবেন। আমি ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা জানাই, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সমর্থন ও সংহতি জানাই।’ সেই ট্যুইট মোতাবেক এবং মমতার নির্দেশে এদিন অর্থাৎ শনিবার ওয়েনাডে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে চলে গেলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দুই সাংসদ সাকেত গোখলে(Saket Gokhale) এবং সুস্মিতা দেব(Sushmita Deb)। এদিন তাঁরা দুর্যোগ কবলিত এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন।  

আরও পড়ুন DVC জল ছাড়া শুরু করতেই কুণালের ট্যুইট তোপ, বন্যা ঠেকাতে বৈঠক মুখ্যসচিবের

সাকেত গোখলে এ দিন সকালে ট্যুইট করে জানান, তিনি ও সুস্মিতা দেব ওয়েনাডের ধস বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। মুন্ডাক্কাই অর্থাৎ যে এলাকাটি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখানেও যান দুই তৃণমূল সাংসদ। পাশাপাশি আহতদের দেখতে পৌঁছন মেপ্পাডির মেডিকেল ক্যাম্প এবং স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে। দুর্গত একাধিক পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন সুস্মিতা দেব এবং সাকেত গোখলে। এদিনই আবার তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, ‘দিদি আছেন সকলের সঙ্গে, সকলের পাশে।’ কেরালায় আটকে পড়া বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্ধার করে আনার আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কাজও যে চলছে সেটাও এদিন তৃণমূলের ট্যুইটে উল্লেখ করা হয়। বাংলার ২৪২ জন পরিযায়ী শ্রমিক ওয়েনাডে আটকে পড়েছেন। তবে তাঁরা প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন। দ্রুত তাঁদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলেই মনে করছে রাজ্য প্রশাসন।

আরও পড়ুন পুজোর আগেই মুখ্যমন্ত্রীর হাতে উদ্বোধন হতে চলেছে অজয়ের ওপর নির্মীয়মান নয়া সেতুর

ওয়েনাডে এখনও পর্যন্ত ৩৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। ২১৫টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজ এখনও ২০৬ জন। প্রকৃতিকে ধ্বংস করে পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে একের পর রিসট তৈরিই কি ওয়েনাডের কাল হল, এই প্রশ্নটা উঠছে এখন। বার বার সতর্ক করা সত্ত্বেও কেন কেরলে প্রকৃতি ধ্বংসে লাগাম টানা হল না, উঠছে এই প্রশ্নও। এর আগে ২০১৮ সালের বন্যায় ওয়ানাডে ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। প্রকৃতি ধ্বংসের বিরুদ্ধে তখনই কড়া পদক্ষেপ নিলে আজকের মৃত্যু মিছিল দেখতে হত না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। স্থানীয় সূত্রের খবর, ধসের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মুন্ডাক্কাই গ্রাম। এই গ্রামের প্রায় ৫০০ স্থানীয় পরিবার বাস করে। গ্রামের আশেপাশে ছিল ৭০০টি রিসর্ট, হোমস্টে। রাতারাতি যা নিশ্চিহ্নর পথে!

আরও পড়ুন প্যারিসে পদক জয়ের হ্যাটট্রিক হল না মনুর, যুদ্ধ থামল চতুর্থ হয়ে

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, তাঁরা বছরের পর বছর ধরে এই বিপর্যয় দেখেছেন এবং গত ১৩ বছরে বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকায় অতিরিক্ত উন্নয়ন প্রাকৃতিক জলের প্রবাহকে বাধা দিলে ভূমিধস এবং বন্যার মতো অন্যান্য পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেবে। অথচ সেই সতর্কতাগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই যে বলা হচ্ছে ভারী বৃষ্টির জন্যই ভূমিধস, এটা ঠিক নয়। ওয়ানাডে এরকমই ভারী বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। আসলে যেভাবে প্রকৃতিকে ধ্বংস করা হয়েছে, তার ফল ভুগতে হচ্ছে। মানুষের ক্রিয়াকলাপ যদি প্রকৃতির কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে তবে প্রকৃতি তার শক্তি প্রকাশ করবে, সেটাই হয়েছে। ওয়েনাডের মানুষ প্রকৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল, এখন তাঁদেরকেই তার মূল্য চোকাতে হচ্ছে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00